বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হিন্দু জনসংখ্যার একটি তালিকা দেয়ার চেষ্টা করলাম।
আধিক্য অনুসারে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হিন্দু জনসংখ্যার পরিমান
01. India 99,50,00000
02. Nepal 2,34,10450
03. Bangladesh 1,35,00000
04. Indonesia 42,59000
05. Pakistan 36,26000
06. Sri Lanka 25,54000
07. Philippines 20,00000
08. Malaysia 16,30000
09. United States 12,04560
10. South Africa 9,59000
11. UAE 9,44352
12. Myanmar 8,20000
13. United Kingdom 8,00000
14. Mauritius 6,00423
15. Canada 4,97200
16. Tanzania 3,54458
17. Kenya 3,69137
18. Fiji 3,03163
19. Saudi Arabia 3,03611
20. Kuwait 3,00667
21. Australia 2,76000
22. Singapore 2,62120
23. Guyana 2,53801
24. Uganda 2,42101
25. Netherlands 2,00000
26. Bhutan 1,85700
27. Afghanistan 1,27560
28. Congo(Kinshasa) 1,18353
29. Italy 1,08950
30. Oman 1,82679
31. Suriname 1,28995
32. Yemen 1,55614
33. Zimbabwe 1,23111
34. Germany 98057
35. New Zealand 90158
মোট লোকসংখ্যার শতকরা অনুসারে হিন্দু জনসংখ্যার পরিমান
01. Nepal = 2,32,94843 (81%)
02. India = 99,50,00000 (78%)
03. Mauritius = 6,70,000 (51%)
04. Guyana = 2,53801 (33%)
05. Fiji = 3,03163 (30%)
06. Suriname = 1,28995 (27%)
07. Bhutan = 1,85700 (25%)
08. Trinidad and Tobago = 2,37737 (22.5%)
09. United Arab Emirates = 9,44352 (21%)
20. Kuwait = 25,05559 (12%)
11. Sri Lanka = 25,54000 (12.6%)
12. Bangladesh = 1,35,00000 (8.5%)
13. Malaysia = 16,30000 (6.7%)
14. Reunion = 55,409 (6.7%)
15. Singapore = 2,62120 (5%)
Sunday, September 25, 2016
নাঙ্গলবন্দ স্নান বা অষ্টমী স্নান
ত্রেতা যুগের প্রথম দিকে রেনুকা ও জমদগ্নি মুনির পঞ্চম পুত্র রূপে জন্ম গ্রহন করেন বিষ্ণুর ষষ্ঠ অবতার পরশুরাম।
একদা রেনুকার এক অপরাধের দন্ড দিতে গিয়ে ঋষি জমদগ্নি, পুত্র পরশুরামকে মাতৃ হত্যার আদেশ করেন । মহামুনি ভৃগুর প্রপৌত্র পরশুরাম দ্বিধাগ্রস্ত মনে, কম্পিত হৃদয়ে, শঙ্কিত চিত্তে, কুঠার সহযোগে পিতৃ আজ্ঞা সম্পন্ন করেন। কিন্তু মাতৃ হত্যা জনিত পাপে তার হাতে কুঠার লেগে থাকে। এর উপায় সরূপ ঋষি জমদগ্নি পুত্রকে উপদেশ দিলেন তীর্থ পরিভ্রমনের। তিনি বললেন, যে তীর্থে গমনে বা স্নানে তোমার হাতের কুঠার স্খলন হবে, জানবে ঐ পুণ্যস্থান পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ তীর্থক্ষেত্র। তীর্থ পরিভ্রমন করতে করতে পরশুরাম হিমালয়ের ব্রহ্মকুন্ডে অবগাহন করার সাথে সাথে তার হাতে লেগে থাকা কুঠারখানা স্খলিত হয়, এবং তিনি সর্ববিধ পাপ থেকে অব্যাহতি লাভ করলেন। তিনি মনে মনে স্থির করলেন এই পুণ্য জলধারা সর্বসাধারনের সহজ লভ্য করার জন্য প্রবাহিত করে নিয়ে যাবেন। তখন তিনি হাল দিয়ে ব্রহ্মকুন্ডের জল ধারাকে হিমালয় থেকে সমভূমিতে নিয়ে আসেন এবং বর্তমানের নারায়গঞ্জ জেলায় এসে কর্ষন বন্ধ করেন। পরবর্তিতে সে স্থানের নাম হয় লাঙ্গলবন্দ।
মহাভারতের পৌরাণিক কাহিনী মতে পঞ্চপান্ডব বনবাসকালে এস্থানে এসেছিলেন। তাঁরা যেখানে স্থানাদিকার্য করেছিলেন সেস্থান পঞ্চমী ঘাট নামে পরিচিত।
নেপালের মহারাজা যে ঘাটে স্নানকৃত্য সমাপন করেছিলেন সেটি রাজঘাট নামে পরিচিত।
মাহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর পর তাঁর চিতাভস্ম ভারতের বিভিন্ন স্থানে ও তীর্থে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। ব্রহ্মপুত্রের যে ঘাটে তাঁর চিতাভস্ম বিসর্জন দেয়া হয়েছে সে ঘাটের নাম গান্ধী ঘাট।
অষ্টমী স্নানোপলক্ষে লাঙ্গলবন্দে শত-সহস্র পুণ্যার্থী আসেন তেমনি অর্ধ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানেরও আগমন হয়। সমস্ত অঞ্চলজুড়ে মেলা বসে। আগমন ঘটে অসংখ্য সাধু সন্ন্যাসীর।
ব্রহ্মপুত্র স্নানের সংকল্প মন্ত্রঃ
বিষ্ণুরোম তৎসদদ্য চৈত্রে মাসি মীন রাশিস্থে ভাস্করে শুক্লপক্ষে আশোকাষ্টম্যাংতিথৌ অমুক গোত্রঃ (নিজ গোত্র) শ্রী অমুকঃ (নিজ নাম) জ্ঞানাজ্ঞানকৃত সর্বপাপক্ষয়পূর্বক সর্বতীর্থ স্নানজন্য ফলসমফলপ্রাপ্তিকমঃ অস্মিন ব্রহ্মপুত্রে স্নানমহং করিষ্যে।
একদা রেনুকার এক অপরাধের দন্ড দিতে গিয়ে ঋষি জমদগ্নি, পুত্র পরশুরামকে মাতৃ হত্যার আদেশ করেন । মহামুনি ভৃগুর প্রপৌত্র পরশুরাম দ্বিধাগ্রস্ত মনে, কম্পিত হৃদয়ে, শঙ্কিত চিত্তে, কুঠার সহযোগে পিতৃ আজ্ঞা সম্পন্ন করেন। কিন্তু মাতৃ হত্যা জনিত পাপে তার হাতে কুঠার লেগে থাকে। এর উপায় সরূপ ঋষি জমদগ্নি পুত্রকে উপদেশ দিলেন তীর্থ পরিভ্রমনের। তিনি বললেন, যে তীর্থে গমনে বা স্নানে তোমার হাতের কুঠার স্খলন হবে, জানবে ঐ পুণ্যস্থান পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ তীর্থক্ষেত্র। তীর্থ পরিভ্রমন করতে করতে পরশুরাম হিমালয়ের ব্রহ্মকুন্ডে অবগাহন করার সাথে সাথে তার হাতে লেগে থাকা কুঠারখানা স্খলিত হয়, এবং তিনি সর্ববিধ পাপ থেকে অব্যাহতি লাভ করলেন। তিনি মনে মনে স্থির করলেন এই পুণ্য জলধারা সর্বসাধারনের সহজ লভ্য করার জন্য প্রবাহিত করে নিয়ে যাবেন। তখন তিনি হাল দিয়ে ব্রহ্মকুন্ডের জল ধারাকে হিমালয় থেকে সমভূমিতে নিয়ে আসেন এবং বর্তমানের নারায়গঞ্জ জেলায় এসে কর্ষন বন্ধ করেন। পরবর্তিতে সে স্থানের নাম হয় লাঙ্গলবন্দ।
মহাভারতের পৌরাণিক কাহিনী মতে পঞ্চপান্ডব বনবাসকালে এস্থানে এসেছিলেন। তাঁরা যেখানে স্থানাদিকার্য করেছিলেন সেস্থান পঞ্চমী ঘাট নামে পরিচিত।
নেপালের মহারাজা যে ঘাটে স্নানকৃত্য সমাপন করেছিলেন সেটি রাজঘাট নামে পরিচিত।
মাহাত্মা গান্ধীর মৃত্যুর পর তাঁর চিতাভস্ম ভারতের বিভিন্ন স্থানে ও তীর্থে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। ব্রহ্মপুত্রের যে ঘাটে তাঁর চিতাভস্ম বিসর্জন দেয়া হয়েছে সে ঘাটের নাম গান্ধী ঘাট।
অষ্টমী স্নানোপলক্ষে লাঙ্গলবন্দে শত-সহস্র পুণ্যার্থী আসেন তেমনি অর্ধ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানেরও আগমন হয়। সমস্ত অঞ্চলজুড়ে মেলা বসে। আগমন ঘটে অসংখ্য সাধু সন্ন্যাসীর।
ব্রহ্মপুত্র স্নানের সংকল্প মন্ত্রঃ
বিষ্ণুরোম তৎসদদ্য চৈত্রে মাসি মীন রাশিস্থে ভাস্করে শুক্লপক্ষে আশোকাষ্টম্যাংতিথৌ অমুক গোত্রঃ (নিজ গোত্র) শ্রী অমুকঃ (নিজ নাম) জ্ঞানাজ্ঞানকৃত সর্বপাপক্ষয়পূর্বক সর্বতীর্থ স্নানজন্য ফলসমফলপ্রাপ্তিকমঃ অস্মিন ব্রহ্মপুত্রে স্নানমহং করিষ্যে।
Subscribe to:
Comments (Atom)